• A
  • A
  • A
ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়র নয়, টপার কৌশিকীর স্বপ্ন গবেষক হওয়া

কলকাতা, ১৬ মে : এখন থেকেই স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে কৌশিকী। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়র নয়। ওর স্বপ্নটা একটু আলাদা। রসায়নের গবেষক হতে চায়। আর পাঁচজনের মতো সীমাবদ্ধ না রেখে মেলে ধরতে চায় নিজেকে। দেশ হোক বা দেশের বাইরে, কুছ পরোয়া নেহি। ISC-র টপার কৌশিকী দাশগুপ্ত চৌধুরি ছুটতে চায় স্বপ্নপূরণের লক্ষ্যে।

কৌশিকী দাশগুপ্ত চৌধুরির বক্তব্য


কৌশিকীর বাড়ি পানিহাটি। সেন্ট জ়েভিয়ার্সের ছাত্রী। বরাবরের মেধাবি। ISC ক্লাস টুয়েলভের পরীক্ষায় ৯৯.৫ শতাংশ নম্বর পেয়ে গোটা দেশে প্রথম। সুখবর পাওয়ার পর থেকে সংবর্ধনা চলছেই। তবে, মাটি থেকে পা সরাতে রাজি নয় কৌশিকী। অল্পতে ভেসে যেতেও চায় না।


ছোটো থেকেই বিজ্ঞান ভালোবাসে। ভালোবাসে নতুন কিছু করার স্বপ্ন দেখতে। বাবা, শেখর দাশগুপ্ত চৌধুরি চাইতেন মেয়ে ডাক্তার হোক। দেশ-দশের সেবা করুক। কিন্তু, কৌশিকীই তা চায়নি। ওর স্নায়ু দুর্বল। কেমিস্ট্রি বিষয়টাকে আপন করে নিয়েছে। রসায়ন নিয়েই এগোতে চায় সে। কৌশিকীর কথায়, “যদি IIT কানপুর বা IIT মুম্বইয়ে সুযোগ পাই তাহলে ভালো। নাহলে IISER পুনেতে পড়ব। ভবিষ্যতে বিদেশে গিয়ে গবেষণা করার ইচ্ছে আছে।” বাংলায় পড়বে না কেন ? কৌশিকীর চটজলদি উত্তর, “বাইরের তুলনায় এখানকার পরিকাঠামো ভালো নয়।” তবে, কৌশিকীর বাবা চান মেয়ে বাংলাতেই পড়াশোনা করুক। তাঁর কথায়, “বর্তমানে শিক্ষার পরিকাঠামো অনেকটাই বেড়েছে। আমি আগে শিক্ষাদপ্তরে কর্মরত ছিলাম। এখন পরিবহনদপ্তরে কর্মরত। তাও, খোঁজখবর রাখি। এখন শিক্ষার পরিকাঠামো ভালো। মেয়েকে বলব এখানেই পড়তে। বাংলার নাম উজ্জ্বল করতে। মাতৃভূমি তো সবার আগে।”

এই সংক্রান্ত আরও খবর : ISC-তে দেশে প্রথম পানিহাটির কৌশিকী

ফার্স্ট গার্ল কৌশিকীর সঙ্গে সোশাল মিডিয়ার যোগ নেই। কৌশিকী বলে, “স্কুলেই বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হত। এর বাইরে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপের প্রয়োজন এতদিন হয়নি। বাইরে পড়তে গেলে হয়ত হবে। বাবা, মা, বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম দরকার।”

দিনে পাঁচ-ছ’ঘণ্টা পড়াশোনা করত কৌশিকী। বাকি সময়টা আড্ডা, গল্পের বই, গান শুনে কেটে যেত। শেখরবাবুও একমত। মেয়েকে পড়াশোনার জন্য জোরজবরদস্তি করেননি। বলেন, “মেয়ের উপর বিশ্বাস ছিল। সবারই উচিত ছেলে-মেয়ের উপর বিশ্বাস রাখা। তারা যা হতে চায় হতে দিন। জোর করে আপনি কিছু চাপিয়ে দেবেন না। তাহলেই মুশকিল।”


কৌশিকীর বাবা শেখর দাশগুপ্ত চৌধুরি

কৌশিকী জানায়, ISC বোর্ডে পড়াশোনা করায় সে ভবিষ্যতে কিছুটা হলেও সুবিধা পাবে। কারণ তার ইংরেজির ভিত অনেকটাই শক্ত। বলে, “মাধ্যমিক বা ICSE বোর্ডের থেকে ISC-র ইংরেজি অনেক বেশি অ্যাডভান্স। এটা আমাদের সুবিধা দেবে ভবিষ্যতে।” তার লাস্ট মিনিট সাজেশন, “কতক্ষণ পড়ছ এটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। কতটা পড়ছ সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। আগে থেকে ঠিক করে নাও আজ এই টপিকটা পড়ব। পড়বই। তাহলেই কেল্লাফতে।”


CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  ଓଡିଆ ନ୍ୟୁଜ

  আয়না ২০১৮

  MAJOR CITIES