• A
  • A
  • A
জীবনে চলার পথে সহযোগিতা করেছে বৈশাখী, আমি কৃতজ্ঞ : শোভন

কলকাতা, ১৩ মার্চ : গুঞ্জনটা অনেকদিনের। নিন্দুকেরা বলেন, শোভন-রত্নার বৈবাহিক জীবনে ভাঙনের জন্য নাকি বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় দায়ি। তবে, বৈশাখী যে তাঁর পারিবারিক বন্ধু তা ফের একবার জানিয়ে দিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। আজ সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “জীবনে চলার পথে ও আমায় অনেক সাহায্য করেছে। একজন প্রকৃত বন্ধুর মতোই।”

ফোটো : বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফোটো ফেসবুক থেকে সংগৃহীত, ভিডিও : শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য


স্ত্রী রত্নার সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক এখন তলানিতে। ডিভোর্স পিটিশনও দাখিল করেছেন শোভন। মানসিক অবসাদে ভুগছেন। বলতে গেলে, একপ্রকার ভেঙে পড়েছেন। আর ঠিক এই সময়ে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন বৈশাখী। একথা স্বীকার করলেন শোভন। আজ সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “আমি একটা কথাই বলব, বৈশাখী বন্ধু হিসেবে সবসময় আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। আমি অস্তিত্ব সংকটে পড়েছিলাম। সেসময়তেও ওরা পাশে ছিল। জীবনে চলার পথে আমাকে সহযোগিতা করেছে। আমি কৃতজ্ঞ। ও এবং ওর পরিবার আমাকে সাহায্য না করলে আরও বিপদের মুখে পড়তাম। আমার অস্তিত্ব প্রশ্নের মুখে পড়ে যেত।” তিনি এও বলেন, “বৈশাখী যে আমার পারিবারিক বন্ধু তা রত্নাও জানে। যদি আজ অবাক হয়ে যায় তাহলে আমার কিছু করার নেই। আমার বিপদের সময় বৈশাখী ও তার পরিবার প্রতিনিয়ত পাশে থেকেছে। আমি কীভাবে অগোছালো ছিলাম সেটা আমি উপলব্ধি করতে পারি। বাইরে থেকে আপনারা (সংবাদমাধ্যম) পারবেন না। ব্যক্তিগত বিষয়টাকে আপনারা অন্যভাবে নিয়ে আসছেন কেন তার ব্যাখ্যা আপনারাই করতে পারবেন।”


ফোটোটি ফেসবুক থেকে সংগৃহীত


সাংবাদিক বৈঠকে আরও বেশ কয়েকটি প্রসঙ্গ উঠে আসে। সেপ্রসঙ্গে সোজাসাপ্টা জবাবও দেন কলকাতার মেয়র।

প্রসঙ্গ ১ : তৃণমূল দপ্তরে মেল

প্রশ্ন শুনেই হেসে ফেলেন মেয়র। বলেন, “তৃণমূল দপ্তরে কোনও মেল করিনি। আমি তো মেল করতে পটু নই। এত খবর আপনারা খুঁজে বের করেন। আর মেলটা খুঁজে বের করতে পারছেন না (মুখে হাসি)।”

প্রসঙ্গ ২ : মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আদৌ কথা হয়েছে ?

শোভন বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী আমায় গতকাল ফোন করেছিলেন। আজও কথা হয়েছে। উনি বলেছেন, তুমি যেভাবে কাজ করছ, করো। সংবাদমাধ্যমে ব্যক্তিস্বার্থে কে কীভাবে কোন বিষয় সামনে আনছে সে সম্বন্ধে চোখ দেওয়ার, কান দেওয়ার সময় নেই। মানুষের কাজ করো। যেমন করে এতদিন করেছ।”

প্রসঙ্গ ৩ : রত্না চট্টোপাধ্যায় ইস্যু

প্রশ্ন করা হয়, রত্না চট্টোপাধ্যায় তাঁর কাছে শোভনকে ফিরে যাওয়ার আর্জি জানিয়েছেন। তিনি কি যাবেন ? উত্তরে শোভন বলেন, “আমার পারিবারিক বিপর্যয় হয়েছে। আমার অতি বড় শত্রুও যেন এই ধরনের অবস্থার মধ্যে না পড়ে। কিছু সমস্যা তো নিশ্চয়ই আমার ব্যক্তি জীবনে এসেছে। ব্যক্তি জীবনকে যদি আমার সামাজিক জীবন, কর্মক্ষেত্র, রাজনৈতিক জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে ফেলে তা তো অনুচিত। যারা জড়াচ্ছে তাদের কী উদ্দেশ্য আছে আমি জানি না। তারাই সেটা ব্যাখ্যা করতে পারবে। এটা সত্য, আমার ডিভোর্স পিটিশন কোর্টে হয়েছে। সেখানে আমরা বিচ্ছেদ চেয়েছি। নিশ্চয়ই কিছু সমস্যা হয়েছে। আমার কিছু সূত্র থেকে আমি খবর পেয়েছি। তাই, রবীন্দ্র সরোবর থানায় অভিযোগ জানিয়েছি যাতে আমার নিরাপত্তা কোনওভাবে বিঘ্নিত না হয়। আইন আইনের মতো চলবে।”

প্রসঙ্গ ৪ : ইস্তফা

প্রশ্ন শেষ হওয়ার আগে মেয়রের উত্তর, “আমি কোন চেয়ারে বসে আছি ? কলকাতা পৌরনিগমের মেয়রের চেয়ারে। ইস্তফা প্রসঙ্গ এনেছেন আপনারা। জবাব দেবেন আপনারাই। কাকে কান নিয়ে গেছে বলে আপনারা কাকের পিছনে দৌড়াচ্ছেন। অনুগ্রহ করে কানে হাত রাখুন। বুঝতে পারবেন আমি কোথায় রয়েছি। কলকাতার পৌরনিগমের বাজেট পেশ হয়েছে। আমি উপস্থিত ছিলাম। আলোচনা করছি। তাতে কি মনে হয় আমি ইস্তফা দিয়েছি ? মন্ত্রীসভাতেও আছে। ফাইল সই করছি। বৈঠক করছি। মনে হচ্ছে আমি ইস্তফা দিয়েছি ?”


CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  ଓଡିଆ ନ୍ୟୁଜ

  পুজোর খবর

  MAJOR CITIES