• A
  • A
  • A
ভ্যালেন্টাইনস ডে ও শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে জোর টক্কর গোলাপ-ধুতরোর

কলকাতা, ১৪ ফেব্রুয়ারি : আজ ভ্যালেন্টাইনস ডে। ভালোবাসার দিন। প্রেমিক-প্রেমিকার দিন। আজকের দিনে একে অপরকে গোলাপ ফুল দিয়ে নিজেদের ভালোবাসা ব্যক্ত করে প্রেমিক-প্রেমিকারা। স্বাভাবিকভাবেই আজ গোলাপের চাহিদা তুঙ্গে। সেই চাহিদার জেরেই রাজ্যের উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ সর্বত্র দাম বেড়েছে গোলাপ ফুলের। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে হরেক দামে বিকোচ্ছে এই ফুল। এদিকে আজ শিবরাত্রি থাকায় ধুতরো সহ অন্য ফুলের দামও চড়া।

ছবি-গোলাপ ফুল, ভিডিও


রোজ় ডে-তে যে গোলাপ মাত্র ৪০ টাকায় বিকিয়েছে, সেই গোলাপই এখন ১০০ টাকায় বিকোচ্ছে শিলিগুড়িতে। শিলিগুড়ির আশপাশে রাঙাপানি, আমবাড়ি, ফালাকাটায় চাষ হয় ডাচ গোলাপের। সেই গোলাপ বাজারে আছেই। এছাড়া বেঙ্গালুরু থেকে ডাচের নানা রঙের গোলাপ এনেছেন বিক্রেতারা। ভেনাস মোড়ের এক বিক্রেতা জানাচ্ছেন, এই ডাচ গোলাপ বেশ কিছুদিন থাকে। স্থানীয় বা কলকাতার গোলাপের চেয়ে এর কদর একটু আলাদা। তাই বেঙ্গালুরু থেকে বিমানে কিছু গোলাপ আনিয়েছেন তিনি।



গোলাপ

শিলিগুড়ির বাঙালি অধ্যুষিত বিধান মার্কেট ফুল বাজারে অবশ্য অন্য ছবি। ফুল বাজারের সভাপতি রণপদ সেন বলেন, ভ্যালেন্টাইনস ডে-র কথা মাথায় রেখে প্রচুর গোলাপ এনেছিলাম। কিন্তু, শিবরাত্রি একই দিনে পড়েছে। ফলে, অনেকেই উপোষ করে শিবের মাথায় জল ঢালবেন। তাই গোলাপের বদলে এখন গাঁদা ফুলের মালাই বেশি বিক্রি হচ্ছে। ক্ষতির আশঙ্কায় আমাদের মাথায় হাত পড়েছে।


আকন্দ

অন্যান্য বছর বিশেষ এই দিনটির আগের সকাল থেকেই ভিড় জমতে শুরু করে মালদা শহরের ফুলবাজারে। একেকটি গোলাপ ৩০ থেকে ৫০ টাকায় কিনে ভালোবাসার মানুষটার হাতে তুলে দিতে না পারা পর্যন্ত যেন শান্তি নেই। ফুলবাজারের ব্যবসায়ী দেবাশিস দত্ত পরিষ্কারই জানালেন, এবার ধুতরোর কাছে হেরে গিয়েছে নামীদামি ফুল। আজ শিবরাত্রি থাকায় ভ্যালেন্টাইনস ডে'র ব্যবসা যে জমবে না তা নিশ্চিত। তার উপর এখন ৪জি মোবাইলের রমরমা। আসল ফুলের থেকে তার ছবি পাঠানোতেই যেন সবার বেশি আগ্রহ। তাঁর কাছে ১০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০ টাকা দামের গোলাপ রয়েছে। আর বাজারে ভালো মানের ধুতরো ফুলের দাম হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা।


ধুতরো

শহরের ফোয়ারা মোড়ে শিবরাত্রির ফুল বিক্রি করছিলেন ছোটন মণ্ডল। তাঁর কাছে থাকা আকন্দ কিংবা ভাটফুল চেনা গেছে বটে, তবে ধুতরো নয়। ফুল ফোটার আগেই ধুতরোর কুঁড়ি বাজারে নামিয়ে দিয়েছেন তিনি। জানালেন, প্রতিটি ধুতরো বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায়। আর আকন্দের মালার দাম ৩০। এবার বাজারও খুব ভালো। তাঁর আক্ষেপ একটাই, এবার ধুতরো ফুল আনতে পারেননি তিনি। তাহলে প্রতিটি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি করতে পারতেন।

বাজারে ক্রেতা নির্ভর প্রতিযোগিতায় অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে ধুতরো। এমনই মত অনেকের। সেই চিত্র ধরাও পড়ল রায়গঞ্জ শহরে। পথেঘাটে অযত্নে থাকা ধুতরোর চাহিদা যে অনেকটাই বেশি রয়েছে তার প্রমাণ মিলল শহরের বাজারগুলিতে। তবে, বাজারে পাল্লা দিয়ে বিকোচ্ছে গোলাপও। এক একটি গোলাপ বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়।

গোলাপ কিনতে হিড়িক পড়ে গেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের ঝাড়গ্রামেও। তবে, বাজারে গোলাপের জোগান কম থাকায় এখানেও দাম বেশি। এক-একটি ছোটো গোলাপ বিক্রি হয়েছে ১৫-২০ টাকায়।

ঝাড়গ্রামে গোলাপ আসে কোলাঘাট, হাওড়া থেকে। পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের ডেবরা, খড়গপুর, সবং, পিংলা, দাসপুর, গোপীবল্লভপুরেও কমবেশি গোলাপ চাষ হয়। শহরের বিভিন্ন বাজারে গোলাপ কেনার জন্য যুবক-যুবতিদের ভিড় দেখা যাচ্ছে গতকাল থেকেই।

CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  ଓଡିଆ ନ୍ୟୁଜ

  আয়না ২০১৮

  MAJOR CITIES