• A
  • A
  • A
উজ্জয়িনীর মহাকালেশ্বর মন্দির

মহাকালেশ্বর মন্দির মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনী শহরে রুদ্রসাগর হ্রদের তীরে অবস্থিত। এটি বারোটি জ্যোতির্লিঙ্গের মধ্যে অন্যতম। এই মন্দিরের শিবলিঙ্গটিকে স্বয়ম্ভু বা শিবের সাক্ষাৎ মূর্তি মনে করা হয়। মহাকালেশ্বরের মূর্তিটি দক্ষিণামূর্তি নামেও পরিচিত। ‘দক্ষিণামূর্তি’ শব্দের অর্থ ‘যাঁর মুখ দক্ষিণ দিকে’।

মহাকালেশ্বর মন্দির


এই মূর্তির বিশেষত্ব হল তান্ত্রিক শিবনেত্র প্রথাটি বারোটি জ্যোতির্লিঙ্গের মধ্যে একমাত্র মহাকালেশ্বর মন্দিরেই দেখা যায়। ‘ওঙ্কারেশ্বর মহাদেবে’র মূর্তিটি মহাকাল মন্দিরের গর্ভগৃহের উপরে স্থাপিত। গর্ভগৃহের পশ্চিম, উত্তর ও পূর্ব দিকে যথাক্রমে গণেশ, পার্বতী ও কার্তিকের মূর্তি স্থাপিত। দক্ষিণ দিকে শিবের বাহন নন্দীর মূর্তি স্থাপিত। মন্দিরের তিনতলায় নাগচন্দ্রেশ্বরের মূর্তি আছে। এটি একমাত্র নাগপঞ্চমীর দিন দেখার জন্য খুলে দেওয়া হয়। মন্দিরটি পাঁচতলা। তার মধ্যে একটি ভূগর্ভে অবস্থিত।


মন্দিরের চূড়াটি পবিত্র বস্ত্র দ্বারা আচ্ছাদিত থাকে। ভূগর্ভস্থ কক্ষটির পথটি পিতলের প্রদীপ দ্বারা আলোকিত করা হয়। এটি মন্দিরের একটি স্বতন্ত্র প্রথা। কারণ, এই রকম প্রথা অন্য কোনও মন্দিরে দেখা যায় না।

হিন্দু বিশ্বাস অনুসারে, এই মন্দিরের প্রধান উপাস্য দেবতা শিব অনন্তকাল ধরে উজ্জয়িনীর শাসক। এই শহরের অধিবাসীদের ধর্মবিশ্বাসে মহাকালেশ্বর জ্যোতির্লিঙ্গের প্রভাব অপরিসীম। শিবরাত্রির সময় মন্দিরের কাছে একটি মেলা বসে। এছাড়াও প্রতি ১২ বছর অন্তর হিন্দুদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় মেলা ‘কুম্ভ’ এখানে অনুষ্ঠিত হয়। লাখ লাখ ভক্ত এই সময় এখানে আসেন।

কীভাবে যাবেন : ইন্দোর শহর থেকে উজ্জয়িনীর যোগাযোগ সবচেয়ে ভালো। গাড়িতে করে বা ট্রেনে সহজেই এখান থেকে পৌঁছতে পারা যায়। কলকাতা থেকে শিপ্রা এক্সপ্রেস বা অন্য কোনও ট্রেনে ইন্দোর। সেখান থেকে অন্য ট্রেনে বা গাড়িতে উজ্জয়িনী। বিমানে ইন্দোর বিমানবন্দরে নেমে সেখান থেকে গাড়িতে উজ্জয়িনী।

থাকবেন কোথায় : উজ্জয়িনী বা ইন্দোরে সস্তায় থাকার অনেক হোটেল ও লজ় রয়েছে।

CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  ଓଡିଆ ନ୍ୟୁଜ

  পুজোর খবর

  MAJOR CITIES