• A
  • A
  • A
মাত্র ৬৮৩৫ টাকায় বিদেশ ভ্রমণ !

বিশ্বাস হচ্ছে না ? তা হলে যা বলি শুনুন। একবার না হয় ৫ মিনিট খরচ করে প্রতিবেদনটি পড়েই ফেলুন।

নীল পাহাড়ের দেশ বরফ সাদা-(ফোটো সৌজন্য- www.tourism.gov.bt)


এদেশ ড্রাগনের দেশ। যেখানে পথে ঘাঠে ফলে থাকে স্ট্রবেরি। চাইলেই ছিঁড়ে খাওয়া যায় ইচ্ছেমতো। চোখজুড়োনো আপেল খেতের ফাঁকে উঁকি মারে নীল পাহাড়। এদেশে ঠান্ডা হাওয়ায় পতপত করে ওড়ে লুংদার। ছড়িয়ে দেয় মন্ত্রগুপ্তির শপথ। শান্তির শপথ।



মন্ত্রগুপ্তির লুংদার
এদেশে সকাল সন্ধে উচ্চারিত হয় ব্রহ্মমন্ত্র।

“ ওঁ মণিপদ্মে হুং...”

কি ঘুরে আসতে ইচ্ছে করছে তো ? ডানামেলা স্বপ্নে পৌঁছে গিয়েছেন ড্রাগনের দেশে ? ভাবছেন পাসপোর্ট কিংবা ভিসার কথা ?

কুছ পরোয়া নেহি। ওসব লাগবে না। বিনা পাসপোর্টেই ঘুরে আসা যায় এদেশ থেকে।

হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছেন। ভুটানের কথা বলছি।


উৎসবের ভুটান

ট্রেনে হাসিমারা পৌঁছলেই হবে। বাকি দায়িত্ব ভ্রমণ সংস্থার। প্রথমে আপনাকে গাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে ফুন্টশেলিং। গেটওয়ে অফ ভুটান। উচ্চতা ৯৭৭ ফুট। সাজানো গোছানো ছোট্ট জনপদ। বেশ কয়েকটি ভালো হোটেল আছে এখানে। ভুটান গেটের এপারে জয়গাঁও। ভারতের শেষ জনপদ। হোটেল, বাজার মিলিয়ে জমজমাট জয়গাঁও। তবে ভুটান গেট পার হলেই মন ভালো হয়ে যাবে আপনার। অপরিচ্ছন্ন জয়গাঁওয়ের পাশে ঝকককে এক শহর। ছবির মত সব বাড়ি। এখানে আপনাকে লাঞ্চ দেওয়া হবে।

ফুন্টশেলিং যাওয়ার জন্য ভারতীয় নাগরিকদের কোনও অনুমতিপত্র লাগে না। আপনার লাঞ্চ শেষ হলেই চলে আসবে থিম্পু যাওয়ার ছাড়পত্র। আপনাকে শুধু দিতে হবে সচিত্র পরিচয়পত্র আর ছবি।

ফুন্টশেলিং থেকে শুরু হবে থিম্পুর উদ্দেশে যাত্রা। পথটা আপনার মনের মণিকোঠায় থেকে যাবে বহুদিন। চওড়া পথে একের পর এক পাহাড় টপকে এগিয়ে চলা। ঝকঝকে সে পথ। মেঘ-রোদ্দুরের লুকোচুরি এ পথের বাঁকেবাঁকে। অবাক হয়ে লক্ষ্য করবেন বিদেশভূমে ভারতীয় সেনাবাহিনীর উপস্থিতি। ১৭৮ কিমি রাস্তা অতিক্রম করতে সময় লাগবে মেরেকেটে ৬ ঘণ্টা। পাহাড়ের এক রহস্য-বাঁক ঘুরতেই চোখের সামনে আসবে ভুটানের রাজধানী। তখন সন্ধে। আলোকমালায় সজ্জিত থিম্পু অসাধারণ।


ছবির থিম্পু

শহরের পাশ দিয়ে চলে থিম্পু চু। আপন ছন্দে। জংখা ভাষার “চু” শব্দের অর্থ নদী। প্রকৃতি আপনাকে ক্লান্ত হতে দেবে না। টু স্টার হোটেলে লাগেজ রেখে বেরিয়ে পড়ুন হাঁটতে। ছবির মত পথ-ঘাট। দূর পাহাড়ে জোনাকির মতো আলো।

এদেশে মেয়েরা পরে কিরা। ভুটানের জাতীয় পোশাক। ছেলেরা পরে ঘো। পথ-ঘাট, অফিস কাছারি সর্বত্রই এই পোশাক।


ওয়াংচুক মেমোরিয়াল চর্তেন
পরের দিন ব্রেকফাস্ট সেরেই বেরিয়ে পড়া। সাইট সিয়িংয়ে আপনাকে নিয়ে যাওয়া হবে আর্ট অ্যান্ড ক্র্যাফ্ট স্কুল, ন্যাশনাল লাইব্রেরি, রয়্যাল গোল্ডস্মিথ ওয়ার্কশপ, হ্যান্ডিক্র্যাফ্ট সেন্টার। হোটেলে ফিরে লাঞ্চের পর আবার বেরিয়ে পড়া। এবার দেখুন প্রয়াত রাজা জিগমে দোর্জি ওয়াংচুক মেমোরিয়াল চর্তেন (স্তূপ), বুদ্ধ পার্ক, জ়ু। চিড়িয়াখানায় পাবেন অদ্ভুত দর্শন জাতীয় পশু টাকিন।


অদ্ভুত দর্শন টাকিন
সেকি, এখনও লক্ষ্য করেননি ট্রাফিক পুলিশের কারিকুরি ? প্রায় ওড়িশি নৃত্যের ভঙ্গিতে ট্রাফিক পুলিশকর্মীরা যান শাসন করেন।

তৃতীয় দিন চলুন পারো। আর এক ছবির মতো শহর। নীল পাহাড়ের দেশ। থিম্পু শহর থেকে ৪ ঘণ্টার পথ। পথে পড়বে ১৬৪৭ সালে তৈরি হওয়া ড্রুকগিয়াল জং। আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথে আপনার সঙ্গ নেবে পারো চু। ভুটানের একমাত্র এয়ারপোর্ট পার হয়ে পারো শহর। এখানে আছে জাতীয় সংগ্রহশালা।

পরের দিন ব্রেকফাস্ট সেরে ফের বেরিয়ে পড়া। গন্তব্য বাঘের বাসা তাকসাং মনেস্ট্রি। অত্যন্ত পবিত্র এই মনেস্ট্রি। ৩ ঘন্টার ট্রেকিংয়ে ঘুরে আসুন।


তসিছো জং
শেষদিনে সুখস্মৃতি সঙ্গে নিয়ে হাসিমারা।

মাথাপিছু ৬৮৩৫ টাকার এই প্যাকেজ টুরে কিন্তু ঘর ভাগ করতে হবে ৬ জনে। একা বা টুইন শেয়ারিংয়ে থাকতে হলে রেস্ত একটু বেশি পড়বে।


CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  ଓଡିଆ ନ୍ୟୁଜ

  পুজোর খবর

  MAJOR CITIES