• A
  • A
  • A
পাহাড়ে নয়, ট্রেকিংয়ের চ্যালেঞ্জ নিন নদীতে

পাহাড়ে ওঠার নেশাটা ছোটোবেলা থেকেই রয়েছে। ট্রেকিং শুরু কলেজে পড়ার সময়। সাবজেক্ট ছিল ভূগোল। পাহাড়-পর্বত নিয়ে তাই বেশ ভালো পড়াশোনা ছিল। কিন্তু ট্রেকিংয়ে তো আর বেরিয়ে পড়ব বললেই যাওয়া যায় না। প্রশিক্ষণের দরকার হয়। দক্ষিণ কলকাতার এক ট্রেকিং অ্যাসোসিয়েশনে যোগ দিয়েছিলাম। থার্ড ইয়ারে ওঠার পর প্রথম ট্রেকিং। গিয়েছিলাম উত্তরাখণ্ডে।

ছবি সৌজন্যে : Pixabay


রোমাঞ্চটা সেই যে মাথায় চেপে বসল, প্রায় প্রতিবছরই ব্যাগপত্তর পিঠে নিয়ে বেরিয়ে যেতাম পাহাড়ের টানে। একবার তাকে ছুঁয়ে না দেখলে যেন মন কেমন করত। কিন্তু চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে সুযোগটা ক্রমশ কমে যেত থাকল। মনটা পাহাড়ের চূড়ায় পড়ে থাকলেও শরীরটা থেকে যেত সমতলে। কাজের চাপ, বসের ছুটি না দেওয়া এসব মিলে তেমন একটা যাওয়া হয়ে উঠত না। বিয়েটা ঠিক হওয়ার পর মনে হয়েছিল এসব হয়ত একেবারেই বন্ধ হয়ে যাবে। আর যাওয়া হবে না ট্রেকিংয়ে। কিন্তু এমনটা হয়নি। পার্টনারও বেশ রোমাঞ্চ প্রিয়। তাই হানিমুনে ট্রেকিংয়ে গেলে কেমন হয়, প্রস্তাবটা দিতেই সে লুফে নিয়েছিল। রওনা দিলাম লাদাখ। লক্ষ্য চাদর ট্রেক।


ভারতের ট্রেকিং অ্যাডভেঞ্চারগুলোর মধ্যে উপরের দিকে নাম থাকে চাদর ট্রেকের। তবে এই ট্রেকিং একটু অন্যরকম। এখানে পাহাড়ে নয়, ট্রেকিং নদীতে। শীতের সময় জ়ান্সকার নদী জমে বরফ হয়ে যায়। ঠিক যেন জলের উপর কেউ বরফের চাদর বিছিয়ে দিয়েছে। সেই জন্যই জ়ান্সকার নদীর উপর যে ট্রেকিং চেল তার নাম চাদর ট্রেকিং। নদীর উপর জমে থাকা বরফের উপর চলা বিশ্বের চ্যালেঞ্জিং ট্রেকগুলির মধ্যে একটি হিসেবে ধরা হয়। তাই চাদর ট্রেকে যাওয়ার আগে ভালো করে নিজেদের ফিটনেসটা যাচাই করে নিতে হবে। অন্তত একমাস আগে থেকে ফিটনেস ট্রেনিংয়ের মধ্যে থাকা দরকার।


ছবি সৌজন্যে : Pixabay

চাদর লেকে তাপমাত্রা -৩৪, -৩৫ এরকম জায়গায় নেমে যায়। তাই ঠান্ডা মোকাবিলার করার জন্য পর্যাপ্ত জামাকাপড় নিয়ে নিতে হবে। সবরকম প্রস্তুতি হয়ে গেলে শুরু করা যেতে পারে ট্রেক। এলাকাটা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১১,১২৩ ফুট উঁচুতে। ট্রেকিংয়ের মোট এলাকা ৭৫ কিলোমিটার। ৭ থেকে ৯ দিন লাগবে পুরো ট্রেকিং শেষ করতে। অনেকক্ষেত্রে ৯ থেকে ১১ দিন সময়ও লাগে।

ট্রেকিংয়ের রুট : তিলাড় দো - শিংরা কোমা - তিব কেভ - নাইরাক - তিব কেভ - শিংরা কোমা

যাওয়ার আদর্শ সময়
- জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি


ছবি সৌজন্যে : Pixabay
ট্রেকিংয়ে পাকাপোক্ত হলে অবশ্যই নিজে প্ল্যান করতে পারেন। না হলে প্যাকেজও রয়েছে। ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করলে পেয়ে যাবেন বিভিন্ন ট্রেকিং প্যাকেজ।


ছবি সৌজন্যে : Pixabay

CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  জনমত পঞ্চমত ২০১৮

  ଓଡିଆ ନ୍ୟୁଜ

  MAJOR CITIES