• A
  • A
  • A
প্রাথমিক সংসদের ছুটির তালিকায় নেই সরস্বতী পুজো, বিভ্রান্তি উত্তর দিনাজপুরে

রায়গঞ্জ, ১১ জানুয়ারি : সরস্বতী পুজো উপলক্ষ্যে ছুটি থাকছে না উত্তর দিনাজপুর জেলার কোনও প্রাথমিক স্কুলে। কারণ জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের প্রকাশিত ছুটির তালিকায় পুজোর দিনটির উল্লেখ নেই। অথচ আগের বছরের তালিকায় সরস্বতীপুজোর দিন ছুটি ছিল। এবারের তালিকা নিয়ে তাই বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে পডু়য়া ও শিক্ষক মহলে।

তালিকা অপরিবর্তিত থাকলে এই ছবি নাও দেখা যেতে পারে


গতকাল জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের তরফে জানুয়ারি মাসের ছুটির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তালিকায় সংসদের চেয়ারম্যান জাহিদ আলম আরজ়ু ও স্কুল পরিদর্শক আমিনুল এহসানের সই রয়েছে। যেখানে ইংরেজি নববর্ষ ও বিবেকানন্দের জন্মদিনের পাশে ছুটি বলে লেখা রয়েছে। নেতাজির জন্মদিন ও প্রজাতন্ত্র দিবসেও ছুটি রয়েছে। তবে এগুলি স্কুলে পালনীয় বলে তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে। মকর সংক্রান্তির (পৌষপার্বণ) দিনটিও তালিকায় উল্লিখিত হয়েছে। কিন্তু, ওই দিন ছুটি দেওয়া হয়নি। আর সরস্বতী পুজোর কোনও উল্লেখই নেই তালিকায়।



উপরে গত বছরের তালিকা, নিচে এবছরের


সংসদ সূত্রে খবর, শিক্ষা দপ্তরের তরফে ২০১৮ সালের ছুটির পূর্ণাঙ্গ তালিকা তাদের কাছে এখনও আসেনি। তাই তারা নোটিস দিয়ে শুধু জানুয়ারি মাসের ছুটির তালিকা প্রকাশ করেছে। কিন্তু, সেই তালিকায় সরস্বতী পুজোর ছুটি নেই কেন ? এনিয়ে সংসদের চেয়ারম্যান জাহিদ আলম আরজ়ুকে ফোন করা হয়। তিনি ফোন ধরেননি। বারবার চেষ্টা করা হলেও ফোন ধরেননি জেলা স্কুল পরিদর্শক আমিনুল এহসানও।

প্রাথমিক স্কুল শিক্ষকরা জানিয়েছেন, সরস্বতীপুজোয় প্রতি বছর ছুটি থাকে। ওই দিন স্কুলে স্কুলে পঠনপাঠন বন্ধ থাকে। কারণ সরস্বতী পুজো হয়। কিন্তু এবারের নির্দেশিকার জেরে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। তালিকায় ছুটি নেই। ফলে স্কুল খোলা রাখতে হবে।

তৃণমূল প্রভাবিত প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠনের সভাপতি স্বরাজ সাহা বলেন, “বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। ওই দিন নিশ্চয়ই ছুটি থাকবে। যে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে তা ফিরিয়ে নতুন নির্দেশিকার অনুরোধ জানিয়েছি।”

BJP-র জেলা সভাপতি নির্মল দাম বলেন, “রাজ্যে নবিদিবসে স্কুল ছুটি থাকে। কিন্তু, সরস্বতী পুজোয় নয়। এটাই তোষামোদের রাজনীতি। আমরা এর প্রতিবাদে আন্দোলনে নামব। ইচ্ছাকৃতভাবে এসব করা হচ্ছে। এর উদ্দেশ্য, আমাদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা।”

প্রসঙ্গত, এর আগে দুর্গাপুজোর সময় স্কুল খোলা রেখে সংখ্যালঘু পড়ুয়াদের স্কলারশিপ দেওয়া নিয়ে কিছু কাজকর্ম করতে নির্দেশিকা দিয়েছিলেন তৎকালীন জলপাইগুড়ির প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান ধর্তিমোহন রায়। বিষয়টি জানাজানি হতেই তাঁকে ওই পদ থেকে সরিয়ে দেয় রাজ্য সরকার। এবার উত্তর দিনাজপুরে এই নির্দেশিকা নিয়ে হইচই শুরু হয়েছে।


CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ব্যবসা-বাণিজ্য

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  MAJOR CITIES