• A
  • A
  • A
পুজোর মুখে গজলডোবায় চালু হবে বোটিং ও সাইক্লিং

শিলিগুড়ি, ১৩ জুন : পুজোর আগেই গজলডোবায় শুরু হয়ে যাবে বোটিং। তিস্তা ক্যানেলে অন্তত সাত কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বোটিংয়ের রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে পারবেন পর্যটকরা। পাশাপাশি, গজলডোবায় সরস্বতীপুর চা বাগান হয়ে বৈকুণ্ঠপুর অভয়ারণ্যের মধ্যে GPS যুক্ত সাইকেল নিয়ে ঘুরতে পারবেন পর্যটকরা।


গজলডোবায় মেগা টুরিজ়ম হাবের কাজ দ্রুত শেষ করতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অনেক টাকা খরচ করে এলাকায় পরিকাঠামো নির্মাণের কাজ করা হচ্ছে। জোরকদমে এগোচ্ছে সেই কাজ। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ধীরে ধীরে ওই এলাকাতেই গড়ে উঠবে আন্তর্জাতিক মানের হোটেল, স্পা, ছোটো হেলিপ্যাড এবং গলফ কোর্স। এলাকায় বিনিয়োগের আগ্রহ দেখিয়ে তিনটি সংস্থা এগিয়ে এসেছে। কাজও শুরু করেছে তারা। স্টার হোটেলের পাশাপাশি এলাকায় তৈরি হবে বাজেট হোটেল। পর্যটন দপ্তরের আশা, সব কাজ সম্পন্ন হলে রাজ্যের পর্যটনে অন্যমাত্রা যোগ করবে গজলডোবার “ভোরের আলো” প্রকল্প।

ইতিমধ্যেই গজলডোবার নাম ছড়িয়ে পড়ায় শিলিগুড়িতে বেড়াতে এসে অনেকেই তিস্তা ব্যারেজ দেখতে যাচ্ছেন। কেউ আবার মাঝিদের নিয়ে তিস্তায় নৌকাবিহারেও উৎসাহ দেখাচ্ছেন। এতে স্থানীয়দের আয়ের পথ কিছুটা খুলছে। প্রতি রবিবার হাট বসছে তিস্তার চড়ে। সেখানে শুধু পর্যটিকরাই নন, শিলিগুড়ির বাসিন্দারাও ছুটছেন টাটকা সবজির সন্ধানে। দপ্তরের কর্তারা জানান, পরিকল্পনার অঙ্গ হিসেবে পুজোর মুখেই এলাকায় সংগঠিত ভাবে বোটিং চালু করা হবে। তবে তা হবে তিস্তা ক্যানেলে। বৈকুণ্ঠপুর জঙ্গলের পাশ দিয়ে করলা আকুইডাক্ট পর্যন্ত সাত কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বোটিং চলবে। প্রাথমিকভাবে চারটি উন্নতমানের বোট দিয়ে বোটিং পরিষেবা চালু করা হবে। এক একজনের খরচ পড়বে একশো টাকা করে।


দপ্তরের যুগ্ম অধিকর্তা সম্রাট চক্রবর্তী বলেন, “গোটা ভাবনাটাই পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে। তাই মোটর বোটের বদলে ব্যবহার হবে প্যাডল বোট। ধীরে ধীরে বোটের সংখ্যা বাড়ানো হবে। পর্যটকদের সুরক্ষার জন্য থাকবে লাইফজ্যাকেট, হেলমেট। দুর্ঘটনা এড়াতে থাকবে রেসকিউ টিম।”

সম্রাট আরও জানান, প্রকল্প চালু করতে খুব একটা পরিকাঠামো নির্মাণের প্রয়োজন নেই। যে এলাকাগুলি দিয়ে পর্যটকেরা বোটে চড়বেন এবং নামবেন সেই এলাকাগুলি চিহ্নিত করা হয়েছে। কাঠ দিয়ে সেই এলাকায় সিঁড়িযুক্ত পাড় তৈরি করতে খুব একটা সময় লাগবে না। সঙ্গে থাকবে চেঞ্জিং রুম এবং ক্যাফেটেরিয়া।

দপ্তর সূত্রে খবর, এনিয়ে সেচ দপ্তরের লিখিত অনুমতি হাতে এলেই দ্রুত কাজে নেমে পড়বে পর্যটন দপ্তর। দপ্তরের যুগ্ম অধিকর্তা সম্রাট চক্রবর্তীর বক্তব্য, “শুধু বোটিং নয়, এর পাশাপাশি গজলডোবা থেকে সাইকেল নিয়ে সরস্বতীপুর চা বাগান হয়ে নির্ধারিত রাস্তায় সাইক্লিং করতে পারবেন পর্যটকেরা। GPS যুক্ত সাইকেলে পর্যটকরা এলাকায় ঘুরবেন নামমাত্র খরচে। ঘন জঙ্গল ও চা বাগানের মধ্যে GPS প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে প্রতিটি সাইকেল ও আরোহী কোথায় রয়েছেন তা লক্ষ্য রাখা যাবে।” আরও জানান, GPS যুক্ত বিশেষ ধরনের সাইকেল আনতে কয়েকটি কম্পানির সঙ্গে কথাবার্তা চালানো হচ্ছে।

পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব বলেন, “পুজোর মুখে বোটিং ও সাইক্লিং চালু করা গেলে পর্যটকদের ভিড় সামলানোই কঠিন হয়ে পড়বে বলে আশা করছি। বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা সবরকমভাবেই এলাকায় পর্যটনের নানা পরিকাঠামো তৈরি করছি। পাশাপাশি পরিবেশের প্রতিও নজর রাখা হচ্ছে। ফলে পরিকল্পনার সময় ইকো ফ্রেন্ডলি নানা প্রকল্পে জোর দেওয়া হচ্ছে। আশা করি পুজোর মুখে পর্যটকদের জন্য আমরা বোটিং ও সাইক্লিং শুরু করে দিতে পারব।”




CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  জনমত পঞ্চমত ২০১৮

  ଓଡିଆ ନ୍ୟୁଜ

  MAJOR CITIES