• A
  • A
  • A
পুজো কমিটিগুলিকে অনুদানের উপর স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

কলকাতা, ৫ অক্টোবর : দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে ক্লাবগুলিকে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ তার উপর স্থগিতাদেশ জারি করল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ জারি করা হয়েছে।


আজ এই মামলার শুনানিতে অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত ও শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চের তরফে প্রশ্ন করা হয়, কীসের ভিত্তিতে দেওয়া হচ্ছে টাকা? এর জন্য রাজ্য সরকার কি কোনও গাইডলাইন তৈরি করেছে? নির্দিষ্ট একটি ধর্মীয় জনগোষ্ঠীকে এই টাকা দেওয়া হচ্ছে। তার নিশ্চয় কোনও স্কিম আছে ? জনগণের টাকা একবার বেরিয়ে গেলে সেটা আর ফেরত পাওয়া যাবে না। এবিষয়ে দুই বিচারপতি আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে রাজ্য সরকারকে এবিষয়ে জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন।


১১ সেপ্টেম্বর মুখ্যমন্ত্রী, ক্লাবগুলিকে পুজোর জন্য আর কারও কাছে ভিক্ষা চাইতে যেতে হবে না। ক্লাবগুলিকে ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দেবে রাজ্য সরকার। তারপর ২৪ সেপ্টেম্বর বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়। সেইমতো গতকাল থেকে চেক বিলি শুরু হয়ে গেছে বলে আজ মামলার শুনানিতে উল্লেখ করেন আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য। মামলাকারী আইনজীবী শামিম আহমেদের পক্ষে সওয়াল করছেন তিনি।

আজ মামলার শুনানির শুরুতেই বিকাশবাবু প্রশ্ন করেন, টাকা সরকারি কোষাগার থেকে চলে যাচ্ছে মহামান্য আদালত। এর বিরুদ্ধে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনেরাল বলেন, "সম্পূর্ণ ভুল দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। রাজ্য সরকার টাকা দিয়েছে "সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ" প্রচারের জন্য। রাজ্য অর্থ দপ্তর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এবং এর জন্য বাজেট তৈরি করা হয়েছে। তখন বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত জানতে চান, "পুরো পশ্চিমবঙ্গকেই কি দেওয়া হচ্ছে ? কীভাবে দেওয়া হচ্ছে?"

এর উত্তরে অ্যাডভোকেট জেনারেল বলেন, "হ্যাঁ। যে ক্লাব আসছে তাকেই দেওয়া হচ্ছে। তবে একটা নির্দিষ্ট নিয়মে পুলিশ এই কাজটি করছে।"

তখন বিচারপতি বলেন, নিশ্চয় এর গাইডলাইন রাজ্য সরকার করেছে ? কিন্ত এর সদুত্তর দিতে পারেননি আইনজীবী।

অ্যাডভোকেট জেনেরাল আবার দুপুর ২টোর সময় মামলাটির শুনানির আর্জি জানিয়েছিলেন। কিন্তু, ভিডিশন বেঞ্চ সেই আর্জি খারিজ করে দেয়। প্রশ্ন করা হয়, "মামলা হয়েছে ১৯ সেপ্টেম্বর। মুখ্যমন্ত্রী ২৪ সেপ্টেম্বর নোটিফিকেশন দিয়ে দিল। আর আপনি এখনও সময় চাইছেন, কেন কীসের ভিত্তিতে টাকা দেওয়া হচ্ছে তা জানানোর জন্য।"
এই বিষয়ে মামলাকারীর আইনজীবী শামিম আহমেদ বলেন, "ইমাম ভাতা দেওয়ার সময়তেও আমরা হাইকোর্টে এসেছিলাম। ২০১৮ সালেও আমরা হাইকোর্টে এলাম। কারণ, পুজোমণ্ডপে টাকা দেওয়া হয়েছে। এটা সংবিধান বিরোধী। তাই, ভারতবর্ষের একজন নাগরিক হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। এটাই বলতে চাই, রাষ্ট্র কোনও ধর্মকে প্রোমোট করতে পারে না। এই বক্তব্য আমরা হাইকোর্টে তুলে ধরেছি। আগামী মঙ্গলবার ফের এই মামলার শুনানি হবে। তার আগে টাকা অনুদান দেওয়া যাবে না বলে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে।"
হাইকোর্ট কী কী জানতে চেয়েছে ?
  • এইভাবে যে টাকা দেওয়া হচ্ছে তার অ্যাকাউন্ট কীভাবে মেইনটেইন করছে ?
  • কোনও গাইডলাইন ফেল করছে কি ?
  • টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত কে নিয়েছে ?


CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  ଓଡିଆ ନ୍ୟୁଜ

  পুজোর খবর

  MAJOR CITIES