• A
  • A
  • A
“শেষ কবে বন্দুক চালিয়েছি মনে নেই”, বলছে ‘সশস্ত্র’ পুলিশ!

জলপাইগুড়ি, ১৩ মে : “শেষ কবে বন্দুক চালিয়েছি জানি না। ভুলে গেছি। এবার ভোটের ডিউটিতে যাওয়ার আগে আমাদের বন্দুক দেওয়া হল।” বলছেন জলপাইগুড়ি থানার মহিলা পুলিশকর্মীরা। আজ তাঁদের জলপাইগুড়ি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। জলপাইগুড়িতে ১৫৪৮টি ভোটগ্রহণ কেন্দ্র। মোট বুথ ১৫৯৪।

শুনুন মহিলা পুলিশের বক্তব্য


আগামীকাল পঞ্চায়েত নির্বাচন। জলপাইগুড়ি জেলায় প্রত্যেক বুথে একজন করে সশস্ত্র পুলিশ ও একজন করে সিভিক ভলান্টিয়ার থাকবেন। যে কেন্দ্রে দুটি বুথ আছে সেখানে দু’জন সশস্ত্র পুলিশকর্মী থাকবেন। এরমধ্যে একজন মহিলা পুলিশকর্মী। থাকবেন একজন সিভিক ভলান্টিয়ারও।


মহিলা পুলিশকর্মী বুথে দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের হাতে ধরানো হচ্ছে রাইফেলও। কিন্তু, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে কী হবে ? বেশিরভাগ মহিলা পুলিশকর্মীই যে রাইফেল চালাতে জানেন না।

১৯৭৭ সালে পুলিশের চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন উষা লামা, কল্পনা বিশ্বাস, বিনু তামাংরা। জলপাইগুড়ি থানায়। চাকরির ট্রেনিংয়ে তাঁরা দু-একবার রাইফেল ধরেছিলেন। তারপর ছুঁয়ে দেখেননি। প্রায় ৪০ বছর পর রাইফেল হাতে নিয়ে অনেকেই ‘অভিভূত’। আবার অনেকেই ভাবছেন, “চালাব কী করে ?”

সুমিত্রা সরকার, ভক্তি তরফদাররা বলেন, “রাইফেল তো দিল। সমস্যা হলে চালাতে পারব কি না জানি না। তবে চেষ্টা করব। ৮ বছর আগে একটা ফায়ারিং ট্রেনিং হয়েছিল। তারপর থেকে আর রাইফেল ছুঁয়ে দেখিনি।” উষা লামা বলেন, “১৯৭৭ সালে কাজে যোগ দিই। তখন প্রথম রাইফেল ধরেছিলাম। আগামীবছর অবসর নেব। আবার হাতে রাইফেল তুলে দেওয়া হল। চালাতে পারব কি না জানি না।”


CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  ଓଡିଆ ନ୍ୟୁଜ

  আয়না ২০১৮

  MAJOR CITIES