• A
  • A
  • A
অপহরণ নয়, শারীরিক সম্পর্কের জন্যই ঘর ছেড়েছিল যুবতি !

জলপাইগুড়ি, ৯ এপ্রিল : অভিযোগ হয়েছিল কিডন্যাপিংয়ের। তদন্ত শুরু করেছিল পুলিশ। সত্য জানতে পেরে চক্ষু চড়কগাছ সকলের। অপহরণ-টপহরণ কিছু নয়, নতুন জীবন পাওয়ার আশায় স্বামী-মেয়েকে ফেলে পালিয়েছিল যুবতি। নতুন স্বামীর সঙ্গে সংসার করে জন্ম দিয়েছে এক পুত্রসন্তানেরও। আগামীকাল জলপাইগুড়ি আদালতে তোলা হবে ওই যুবতিকে।

দীপা নন্দীর (ঘোষ) বক্তব্য


দীপা নন্দী (ঘোষ)। বাড়ি কোচবিহার। ১০ বছর আগে জলপাইগুড়ির ঝাকুয়াপাড়ার ফোল্ডিং মোড়ের বাসিন্দা ইন্দ্রজিৎ নন্দীর সঙ্গে বিয়ে হয়। বিয়ের ২ বছর পর তাদের একটি মেয়ে হয়। ২০১৬ সালের ১৮ জুলাই শ্বশুরবাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যায় দীপা। পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন ইন্দ্রজিৎ। সেসময় পুলিশ তাকে উদ্ধার করতে পারেনি। পরেরবছর দীপার বাবা ক্ষিতীশ দে ও মা শিখা দে জলপাইগুড়ির পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি ছিল, মেয়েকে কিডন্যাপ করা হয়েছে। অভিযোগ পেয়ে ফের তদন্ত শুরু হয়।


পুলিশ সুপার অমিতাভ মাইতি বলেন, “তদন্তভার দেওয়া হয় জলপাইগুড়ি থানার IC বিশ্বাশ্রয় সরকারের উপর। তদন্তে নেমে আমরা মেয়েটির সঙ্গে কেরলের একটা লিঙ্ক খুঁজে পাই। সেই লিঙ্কের সঙ্গে যোগাযোগ করি। লিঙ্ক ধরে চলতি বছর জানুয়ারিতে নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জে যাই। দেখি সে আবার বিয়ে করেছে। গর্ভবতী। আমরা তার প্রতি নজর রেখেছিলাম। ১ মাস আগে একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছে ওই যুবতি। এরপর তাকে উদ্ধার করে আনা হয়। তার দ্বিতীয় স্বামী কিশোর ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আগামীকাল যুবতিকে আদালতে তোলা হবে।”

দীপা বলেন, “আগের স্বামীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক ঠিক ছিল না। এসব কারণে আমি মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। তাই, বাড়ি ছেড়ে চলে যাই। ইন্দ্রজিৎ আমার থেকে অনেক বড়। তখন আমি ছোটো ছিলাম। বাবা-মার উপর কিছু বলতে পারিনি। তাই, বিয়ে করেছিলাম। এর বেশি আর কিছু বলতে চাই না।”


CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  ଓଡିଆ ନ୍ୟୁଜ

  আয়না ২০১৮

  MAJOR CITIES