• A
  • A
  • A
ভালো ফল করতে অতিরিক্ত শিক্ষকের প্রয়োজন নেই, বলছে প্রত্যুষা

বালুরঘাট, ৮ জুন : টেস্টের রেজ়াল্ট দেখে আশা ছিল ভালো ফল হবে। কিন্তু তার নাম যে একেবারে প্রথম দশে ঢুকে যাবে তা ভাবেনি বালুরঘাটের প্রত্যুষা সাহা। ললিত মোহন আদর্শ স্কুলের ছাত্রী প্রত্যুষা মেধাতালিকায় নবম স্থান অধিকার করেছে। প্রাপ্ত নম্বর ৪৮২।

পরিবারের সঙ্গে প্রত্যুষা


বালুরঘাটের চৌরঙ্গী এলাকায় বাড়ি প্রত্যুষার। বাবা-মা দু’জনেই পোস্ট অফিসে চাকরি করেন। তাই ছোটোবেলা থেকে বেশিরভাগ সময় কেটেছে মামারবাড়িতে। প্রত্যুষাকে পড়াশোনায় গাইড করেছেন দিদা-দাদু ও মামারা। তাই তার ফলপ্রকাশের পর প্রত্যুষা বলল, “আমার সাফল্যের সব কৃতিত্ব দাদু, দিদা, ছোটোমামা, বড় মামার। এরাই আমকে প্রধানত উৎসাহ দিয়েছেন। তা ছাড়া মা-বাবা তো উৎসাহ দিয়েছেনই।” ভালো রেজ়াল্ট করতে হলে যে অনেক সংখ্যায় প্রাইভেট টিউটর দরকার তেমনটা মনে হয়নি প্রত্যুষার। এক-আধটা বিষয় ছাড়া বাকি ক্ষেত্রে একজন করেই প্রাইভেট টিউটর ছিল। তবে, টিচার যেমন বলেছেন তেমনটা অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলেছে। আগামী বছরের পরীক্ষার্থীদের তাই প্রত্যুষার পরামর্শ, “প্রত্যেক টিচার যেমন বলবে তেমন ফলো করে চলতে হবে। অযথা বেশি টিচার না নিয়ে প্রত্যেকটা সাবজেক্টের নির্দিষ্ট টিচার নিয়ে তাঁদের কথামতো পড়লেই হবে।”


টেস্টে প্রত্যুষার প্রাপ্ত নম্বর ছিল ৪৭৫। উচ্চমাধ্যমিকে সেটা বেড়েছে। ফল জানার পর যেমন খুশি পরিবার, তেমনই আত্মীয় স্বজন থেকে শিক্ষক শিক্ষিকারা সকলেই। টিভির পরদায় খবর পেয়েই সকাল সকাল বাড়িতে এসে হাজির হয়েছেন শিক্ষক থেকে প্রতিবেশী সকলেই। মিষ্টিমুখ করিয়েছে প্রত্যুষাকে। আগামীদিনে প্রত্যুষা রসায়ণ নিয়ে পড়তে চায়। ইচ্ছা গবেষণা করার।


নয়নিকা রায়

একা প্রত্যুষা নয়, বালুরঘাটের আরও এক ছাত্রী স্থান পেয়েছে প্রথম দশে। ষষ্ঠ হয়েছে নয়নিকা রায়। তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৫। ফল যে ভালো হবে তা জানাই ছিল। তবে সকালে টিভি দেখে যখন জানতে পারে যে সে ষষ্ঠ হয়েছে তখন বাঁধ ভেঙেছিল খুশি। ইংরাজি তার পছন্দের বিষয়। তাই আগামীদিনে ইংরাজি নিয়েই পড়তে চায় নয়নিকা।


CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  ଓଡିଆ ନ୍ୟୁଜ

  পুজোর খবর

  MAJOR CITIES