• A
  • A
  • A
PHD-র লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরেশ কন্যা অঙ্কিতা

রায়গঞ্জ ও কোচবিহার, ৩০ নভেম্বর : মেখলিগঞ্জে বাড়ির কাছের স্কুলে শিক্ষকতায় যোগ দেওয়ার পর এবার রাষ্ট্রবিজ্ঞানে PHD করার জন্য লিখিত পরীক্ষা ও ইন্টারভিউতেও উত্তীর্ণ হলেন অঙ্কিতা অধিকারী। ২৮ নভেম্বর রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দেন তিনি। সফল প্রার্থীদের মেধা তালিকায় ন'নম্বরে রয়েছে তাঁর নাম। এনিয়ে জোর বিতর্ক দেখা দিয়েছে। যদিও মেধার ভিত্তিতেই এই ফলাফল বলে জানাচ্ছে রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়।

ভিডিয়োয় শুনুন রায়গঞ্জের বিধায়ক মোহিত সেনগুপ্তের বক্তব্য


কোচবিহারের মেখলিগঞ্জের বাম নেতা পরেশ অধিকারী তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর তাঁর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারী খবরের শিরোনামে আসেন। অভিযোগ উঠেছিল উড়ে এসে জুড়ে বসার। হাজির ছিলেন না কাউন্সেলিংয়ে। কিন্তু নাম উঠে SSC-র তালিকায়। সেই সব বিতর্ক মাথায় নিয়েই দিন কয়েক আগে মেখলিগঞ্জে বাড়ির কাছেই স্কুলে সহশিক্ষক হিসেবে যোগ দেন অঙ্কিতা অধিকারী। পরেশ অধিকারী তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর, কোনও এক রহস্যময় কারণে শিক্ষক নিয়োগের ওয়েটিং লিস্টে একদম শীর্ষে চলে এসেছিল অঙ্কিতার নাম। প্রথম সেই খবর তুলে ধরেছিল ইনাডু বাংলা। সেই অঙ্কিতা অধিকারীই এবার স্কুলে পড়াচ্ছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান। কোচবিহারের মেখলিগঞ্জের ইন্দিরা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন তিনি।




এবার রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে PHD করতে ২৮ নভেম্বর পরীক্ষা দেন অঙ্কিতা। মেধা তালিকায় সফল প্রার্থীদের মধ্যে তাঁর নাম উঠেছে। মেরিটের ভিত্তিতেই কি এই ফল? নাকি অন্য কোনও প্রভাব আছে? এনিয়ে অঙ্কিতা অধিকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি কন্ট্রোলার অফ এগজ়াম শুভময় ভৌমিক বলেন, "প্রভাবের কোনও বিষয় এখানে নেই। সবটাই মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে হয়েছে। যারা পরীক্ষা দিয়েছিলেন তাদের মধ্যে থেকে যোগ্যদের বেছে নিয়ে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।"

এই সংক্রান্ত আরও খবর পড়ুন: অঙ্কিতার নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে, স্লোগান তুলে ধিক্কার মিছিল ABVP-র
রায়গঞ্জের বিধায়ক মোহিত সেনগুপ্ত অবশ্য অভিযোগ করেন প্রভাব খাটিয়েই এক্ষেত্রেও নিজের নাম তালিকায় রেখেছেন ওই প্রার্থী। মোহিত সেনগুপ্ত বলেন, "প্রার্থী SSC-তেই পাশ করেননি, ঘুরপথে চাকরি পেলেন। এখন আবার PHD করতে চেয়ে পরীক্ষাতেও উত্তীর্ণ হয়েছেন। এই আমলে সবই জাল, জুয়াচুরিতে ভরে গেছে।"

এই সংক্রান্ত আরও খবর পড়ুন: শিক্ষিকা হলেন অঙ্কিতা, বাড়ির কাছের স্কুলে
CPI(M) সাংসদ মহম্মদ সেলিম বলেন, "দলবদলের জেরে চাকরি ও PHD সবই মেলে। এ রাজ্যে নকল ডিগ্রিধারী মুখ্যমন্ত্রী, অধ্যাপক ধরে ডিগ্রি নেওয়া শিক্ষামন্ত্রী আর কলেজে কলেজে তোলাবাজিই মুখ্য। মেধার কোনও দামই নেই। তাই এক্ষেত্রেও এসব হচ্ছে।"

এই সংক্রান্ত আরও খবর পড়ুন: SSC ওয়েস্টিং লিস্টে 'হঠাৎ' টপে মেয়ে, পরেশ নাকি জানেন না !

CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  ଓଡିଆ ନ୍ୟୁଜ

  আয়না ২০১৮

  MAJOR CITIES