• A
  • A
  • A
মঙ্গলের পথে গাড়ি : সফল উৎক্ষেপণ বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী রকেটের

ফ্লোরিডা, ৭ ফেব্রুয়ারি : তৈরি হল ইতিহাস। ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে মঙ্গলগ্রহের উদ্দেশে রওনা দিল বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী রকেট ফ্যালকন হেভি। অত্যাধুনিক এই রকেটটি বানিয়েছে মার্কিন গবেষক তথা শিল্পপতি এলন মাস্কের সংস্থা SpaceX।

ফোটো সৌজন্য : @elonmusk


আজ সকালে কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে প্রথমবার ফ্যালকন হেভির পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ হয়। ২৭টি ইঞ্জিন ও ৩টি বুস্টার বিশিষ্ট এই রকেট বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী।


২৩ তলা উঁচু বাড়ির সমান এই রকেট উৎক্ষেপণের সাক্ষী থাকতে স্পেস সেন্টার থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে কোকো বিচের কাছে ভিড় জমিয়েছিলেন কয়েক হাজার মানুষ। কাউন্টডাউন শেষ হওয়ার পর তীব্র গর্জন শুরু হয়। ধীরে ধীরে মহাকাশের উদ্দেশে পাড়ি দেয় ফ্যালকন হেভি। উল্লেখ্য, পৃথিবীর কক্ষপথের বাইরে মহাকাশে কোনও বস্তু পাঠানোর ক্ষেত্রে এটিই প্রথম বেসরকারি উদ্যোগ। রকেটের সঙ্গে পে লোড হিসেবে পাঠানো হয়েছে মাস্কের পুরোনো চেরি-রেড টেসলা স্পোর্টস কার। সেই সঙ্গে পাঠানো হয়েছে একটি ম্যানিকুইন। ওই ম্যানিকুইন বসে আছে গাড়ির চালকের আসনে। গাড়িতে বাজছে ডেভিড বোউইয়ের গান। মঙ্গলগ্রহের কক্ষপথে স্থাপন করা হবে এই গাড়ি।

মহাকাশ গবেষকদের কথায়, অনেক বেশি পে লোড নিতে সক্ষম এই রকেট। পরবর্তী সময়ে একে মার্কিন সামরিক বাহিনীর কাজে লাগানো হতে পারে। বড় স্যাটেলাইট পাঠানোর ক্ষেত্রে সুবিধা দিতে পারে এই রকেট। সেইসঙ্গে বৃহস্পতি, শনি এবং তাদের উপগ্রহে রোবোট পাঠানোর কাজেও এই রকেট ব্যবহার করা সম্ভব।

উৎক্ষেপণের ক্ষেত্রে সাফল্য এলেও বুস্টার ল্যান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে ১০০-য় ১০০ কিন্তু পাচ্ছে না ফ্যালকন হেভি। তিনটি বুস্টারের মধ্যে দুটি পৃথিবীতে ঠিকঠাকই ফিরে আসে। ওই দুটি বুস্টার ল্যান্ড করে ফ্লোরিডা উপকূলে। অন্য বুস্টারটি অবশ্য লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেনি। আটলান্টিক মহাসাগরে ড্রোন শিপ স্টেশনে তৃতীয় বুস্টারটি ল্যান্ড করার কথা ছিল। কিন্তু লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে তা জলে ধাক্কা মেরে (৫০০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে) ধ্বংস হয়ে যায়।

এবিষয়ে অবশ্য চিন্তিত নন মাস্ক। সাফল্যের সঙ্গে রকেট উৎক্ষেপণ হওয়ায় তিনি খুশি। বলেন, “এই অভিযানে ৫০-৫০ সুযোগ ছিল। কোনওরকম দুর্ঘটনা ছাড়াই সফল উৎক্ষেপণ হয়েছে। দুটি বুস্টারও ঠিকঠাক ল্যান্ড করেছে। এই রকেটে সবথেকে বেশি (৬৪ টন পর্যন্ত) পে লোড দেওয়া যাবে। তবে, প্রথমবারের পরীক্ষায় আমরা কম পে লোড দিয়েছিলাম।”

পরবর্তী প্রোজেক্ট নিয়েও ভাবনাচিন্তা শুরু করে দিয়েছেন মাস্ক। বলেন, “বিশ্বের পরবর্তী সবথেকে ক্ষমতাশালী রকেট, ডেলটা IV হেভি নিয়ে আসছি আমরা। যার খরচ ফ্যালকন হেভির এক তৃতীয়াংশ।” সবশেষে সাংবাদিক বৈঠকে মাস্কের হুঙ্কার, “অন্য সমস্ত অধিক ভার বহনকারী রকেটের দিন শেষ।”


CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  ଓଡିଆ ନ୍ୟୁଜ

  পুজোর খবর

  MAJOR CITIES