• A
  • A
  • A
আরও সংকটে মালদ্বীপ, গ্রেপ্তার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতি

মালি (মালদ্বীপ), ৬ ফেব্রুয়ারি : সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে মালদ্বীপে জরুরি অবস্থা জারি করলেন প্রেসিডেন্ট আবদুল্লা ইয়ামিন। আর এরপরই গ্রেপ্তার করা হল দেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মামুন আবদুল গায়ুম, প্রধান বিচারপতি আবদুল্লা সইদ, বিচারপতি আলি হামিদ এবং বিচারবিভাগের প্রশাসক হাসান সইদকে। এরফলে মালদ্বীপে সমস্যা আরও বাড়ল। বাড়ির দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে মামুন আবদুল গায়ুম ও তাঁর জামাইকে গ্রেপ্তার করা হয়। মালদ্বীপ সংসদের প্রাক্তন স্পিকার আবদুল্লা শাহিদ টুইটারে প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের গ্রেপ্তারির খবর জানান।

ছবি সৌজন্য : ANI


টুইটে তিনি লেখেন, “বাড়ির দরজা ভেঙে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ও তাঁর জামাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের বিশেষ অপারেশন গ্রুপ।” এই গ্রেপ্তারির পর মালদ্বীপের বিরোধী দলগুলির ঐক্যে ফাটল ক্রমেই বাড়ল বলে মনে করা হচ্ছে। আদালতের নির্দেশ মেনে বর্তমান রাষ্ট্রপতি আবদুল্লা ইয়ামিন রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তি দিতে অস্বীকার করেন। সেই থেকেই মালদ্বীপে শুরু হয় অচলাবস্থা।


প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের অনুগামীরা সবকটি গ্রেপ্তারির বিষয়েই টুইট করে। টুইটে লেখা হয় “সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি, বিচারপতি আলি হামিদ এবং বিচার বিভাগ প্রশাসনের প্রশাসককে যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তা আমরা নিশ্চিত করতে পারি।”

আরও একটি টুইটে লেখা হয়, “প্রথম ৮ ঘণ্টার জরুরি অবস্থা : সুপ্রিম কোর্টে তল্লাশি অভিযান। মহম্মদ নাদিম গ্রেপ্তার, প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মামুন গ্রেপ্তার, বিচারপতি আলি হামিদ গ্রেপ্তার, প্রধান বিচারপতি আবদুল্লা সইদ গ্রেপ্তার, জুডিশিয়াল প্রশাসক গ্রেপ্তার। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ না মানতেই কি জরুরি অবস্থার ঘোষণা?”


জরুরি অবস্থা জারি হওয়াতে দেশের মানুষের কাছে এক থাকার বার্তা দিয়েছে মালদ্বীপের ডেমোক্রেটিক পার্টি। দলের টুইটার হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, “বিরোধী দলের সাংসদরা মালদ্বীপের জনগণকে সংবিধান রক্ষা করতে এবং বিচার ও সংস্কারে অদম্য হওয়ার জন্য এক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সাংসদরা প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ও তাঁর জামাইকে অবিলম্বে মুক্তির দাবিও জানিয়েছেন।”

অ্যামেরিকাও মালদ্বীপের জনগণের প্রতি তাদের সমর্থন জানিয়েছে। আইন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি সরকারে শ্রদ্ধাশীল থাকা উচিত বলেও জানিয়েছে তারা। অ্যামেরিকার ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল টুইট করে বলে, “অ্যামেরিকা মালদ্বীপের জনগণের সঙ্গে রয়েছে। মালদ্বীপের সরকার এবং মিলিটারিকে অবশ্যই দেশের আইন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে সম্মান করতে হবে। সারা বিশ্ব এদিকে নজর রাখছে।”

এদিকে এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় নাগরিকদের মালদ্বীপে যাওয়া নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। তারা জানিয়েছে, কোনও জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ভারতীয় নাগরিকদের মালদ্বীপ সফরের কোনও প্রয়োজন নেই। মালদ্বীপে থাকা ভারতীয়দেরও নিরাপত্তার ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে। চিনও তাদের নাগরিকদের মালদ্বীপে যেতে নিষেধ করেছে।

CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  ଓଡିଆ ନ୍ୟୁଜ

  পুজোর খবর

  MAJOR CITIES