• A
  • A
  • A
আপনার এই অভ্যাসগুলি বিয়ে ভেঙে দিতে পারে

মেঘলা আর সূর্যর বিয়ে হয়েছে মাত্র কয়েক মাস আগে। প্রেম করেই বিয়ে করেছে। তবে প্রেম করলেও দু’জনেই একে অপরের বিপরীত। মেঘলা ঘর বেশ গুছিয়ে রাখতে পছন্দ করে। যেখানকার জিনিস সেখানেই রাখে। ফলে কোনও জিনিস খুঁজে পেতে কোনও সমস্যা হয় না। আর সূর্য ঘর এলোমেলো করে রাখতেই বেশি পছন্দ করে। অফিস থেকে এসে কোনওরকমে জুতো খুলে বিছানায় শুয়ে পড়ে। হাত না ধুয়েই খাবার খেয়ে নেয়। যা মেঘলার নাপসন্দ। শত চেষ্টা করেও সূর্যর এই অভ্যাসের পরিবর্তন করতে পারেনি সে। এর জন্য প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া লেগে থাকে। আর জিনিস গোছাতে গিয়ে রীতিমতো নাজেহাল অবস্থা হয় মেঘলার।


এই বিষয়গুলি খুব একটা নতুন নয়। বেশিরভাগ দম্পতিই এই সমস্যায় পড়েন। তবে শুধুমাত্র জিনিস গুছিয়ে রাখার জন্যই নয়। আরও অনেক কারণ নিয়েই তাঁদের মধ্যে খিটিমিটি লেগেই থাকে। যা তাঁদের বৈবাহিক জীবনের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়।


কোন কোন কারণে খিটিমিটি লাগে দেখুন.......

বার বার পার্টনারের ভুল শুধরে দিলে

  • রান্নাটা হয়তো আপনি নিজেই করেন। কিন্তু, আপনার শরীর ভালো না। তাই আপনার কাজ কমাতে ও সারপ্রাইজ় দিতে পার্টনার রান্না করে রেখেছেন। এদিকে সেই খাবার খেয়ে আপনি মুক বেঁকিয়ে দিলেন। বললেন নুন বা অন্যকিছু কম হয়েছে। এতে পার্টনারের মনোবল পুরো ভেঙে যায়। রান্না ছাড়াও পার্টনার আপনাকে খুশি করার জন্য যেটাই করেন সেটাতেই আপনি ভুল ধরেন। তাঁর করা কোনও কাজকেই আপনি খুব একটা বাহবা দেন না। এই বিষয়টি যদি দিনের পর চলতে থাকে তাহলে আপনার বিয়ে কিন্তু, অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে।

পার্টনারের পরিবারের থেকে নিজের পরিবারকে বেশি গুরুত্ব দিলে

  • আপনার পরিবার সবদিক থেকেই ভালো। কিন্তু, পার্টনারের পরিবার সবদিক থেকেই খারাপ। সারাক্ষণই নিজের পরিবারের গুণগান করছেন। আর পার্টনারের পরিবারের কথা এলেই এড়িয়ে যাচ্ছেন। তাঁদের সমস্যাতেও আপনি পাশে দাঁড়ান না। এটা একেবারেই ঠিক না। দুটি পরিবারকেই সমান গুরুত্ব দিন। সব সময় যে প্রতিটা কাজ আপনার মনের মতো হবে তার কোনও মানে নেই। কিন্তু, বেশ কয়েকটা বিষয় মেনে নিতে হয়। ভালো না লাগলেও একটু কম্প্রোমাইজ় করতে হয়। আপনাদের দু’জনের কম্প্রোমাইজ়ই সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

পার্টনারের থেকে বেশি আশা করলে

  • আপনার আশার কোনও শেষ নেই। তবে সেটা নিজের থেকে নয়। পার্টনারের থেকে। আপনার হয়তো কোনও জিনিস পছন্দ হয়েছে। যার দাম অনেকটা বেশি। আর সেটা কিনে দেওয়ার জন্য পার্টনারকে আপনি সমানে জোর দিয়ে যাচ্ছেন। ফলে সাধ্যের বাইরে গিয়েও পার্টনারকে সেই জিনিসটি কিনে দিতে হয়। বার বার আপনার এই আশা পূরণ করতে গিয়ে পার্টনারের মাথায় চাপ পড়তে থাকবে। যা এক সময় রাগ হয়ে ফেটে বের হবে। সেদিন কিন্তু, শত কাঁদলেও আর বিয়ে বাঁচাতে পারবেন না।

নেতিবাচক মনোভাব থাকলে

  • হয়তো বাড়িতে কোনও নতুন জিনিস করবেন। তার জন্য এক বছর আগে থেকে পরিকল্পনা করছেন। সবে পরিকল্পনা শুরু করেছেন। কিন্তু, জিনিসটি আপনাদের সাধ্যের থেকে একটু বেশি। তবে সাধ্যের বাইরে গিয়েও কোনও জিনিস করা সম্ভব। তার জন্য আপনাদের একটু কম খরচ করতে হবে। আর সেখানে যদি আপনি বার বার নেতিবাচক কথা বলেন। সেটা একেবারেই ঠিক না। তাহলে কোনও দিনই কোনও কাজ হবে না।

টাকা নিয়ে সমস্যা দেখা দিলে

  • বিয়ে একটা টিমের মতো। অনেকজনের নয়, মাত্র দু’জনের। তাই টাকা যদি দু’জনেই রোজগার করেন, তাহলে তা হিসাব করে খরচ করুন। একে অপরকে সাহায্য করুন। ঘর গোছানোর সময় কোনও নতুন জিনিস কেনার সময় দু’জনেই খরচ দিন। আপনি আপনার টাকা পুরো জমিয়ে রাখবেন। আর পার্টনারকেই সব জিনিস কিনতে হবে। এর কোনও মানেই হয় না। দু’জনে ভাগাভাগি করে খরচ দিন। না হলে টাকা নিয়ে পরবর্তীকালে অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে।


CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  ଓଡିଆ ନ୍ୟୁଜ

  পুজোর খবর

  MAJOR CITIES