• A
  • A
  • A
আচমকা প্রসব ! অনেকসময় ৯ মাসেও ধরা পড়ে না প্রেগনেন্সি

ট্রেনে মহিলার আচমকা সন্তান প্রসব। স্কুলের শৌচাগারে সন্তানের জন্ম দিল কিশোরী। এধরনের খবর টেলিভিশন বা ইন্টারনেটে নিশ্চয়ই শুনে বা দেখে থাকবেন। শুনতে যতই অবাক লাগুক, এমন ঘটনা সত্যিই ঘটে। গর্ভধারণ সংক্রান্ত যা যা প্রচলিত ধ্যানধারণা রয়েছে, তা অনেক সময়ই ভুল বলে প্রমাণিত হয়।


পিরিয়ডস মিস বা শরীরে আচমকা কিছু বদল হলেই যে তা গর্ভধারণের লক্ষ্মণ, আর এগুলির কোনওটিই না হলে যে কোনও মহিলা গর্ভবতী হতে পারেন না, এই ধারণা সর্বৈব ভুল। এমনটাও ঘটে, আর চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় একে বলা হয় “ক্রাইপটিক প্রেগনেন্সি”। যা প্রতি আড়াই হাজার মহিলার মধ্যে একজনের ক্ষেত্রে ঘটে। কিন্তু এখন প্রশ্ন, কীভাবে এমন হয় যে, কোনও মহিলা তাঁর শরীরে বেড়ে ওঠা একটি প্রাণের অস্তিত্ব অনুভবই করতে পারেন না?

এর পিছনে রয়েছে ৫টি কারণ :-


ধরুন আপনি কয়েক বছর ধরে গর্ভ নিরোধক পিল খাচ্ছেন। হঠাৎ সেটা বন্ধ করে দিলেন। তখন আপনার পিরিয়ডসে অনিয়ম হতে পারে। এর মাঝেই গর্ভধারণ করলে আপনি বুঝতে পারবেন না এমন সম্ভাবনা খুব বেশি থাকে। অনেক সময় এরকমও হয় যে মাসে দু’দিনের বেশি আপনার পিরিয়ডস থাকছে না। আপনি হয়ত ভাবছেন অন্য কোনও কারণ, কিন্তু আসলে গর্ভধারণের জন্যও এটা হতে পারে। সেইসঙ্গে সকালে ঘুম থেকে ওঠার দুর্বলতা বা হঠাৎ মোটা হয়ে যাওয়াও গর্ভধারণের লক্ষ্মণ হতে পারে, যা বোঝা যায় না।

কোনও কোনও ক্ষেত্রে প্ল্যাসেন্টা ইউটেরাসের পিছনে চলে যায়, একেবারে শিরদাঁড়ার নিচের দিকে। তখনও গর্ভে সন্তান রয়েছে, তা বোঝা সম্ভব হয় না। এক্ষেত্রে সন্তানের ওজন স্বাভাবিকের তুলনায় কম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। দেখা দিতে পারে অন্য সমস্যাও।

গর্ভাবস্থা বোঝার প্রথম লক্ষ্মণ হল শরীরে HCG হরমোনের মাত্রা প্রচণ্ড হারে বেড়ে যাওয়া। যে কিটগুলির মাধ্যমে বোঝা যায় কোনও মহিলা গর্ভবতী কি না, ওই কিটগুলি আসলে ওই হরমোনের মাত্রার উপর নির্ভর করেই ফলাফল দেয়। কিন্তু অনেক মহিলার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার জন্য বা বংশগত কারণে হরমোন নিঃসরণের মাত্রা বাড়ে না। তাঁদের ক্ষেত্রে কিটের মাধ্যমে গর্ভাবস্থা ধরা পড়ে না।

অনেক মহিলার শরীরে আবার গর্ভধারণজনিত কোনও পরিবর্তন বা কোনও সমস্যাই দেখা দেয় না। এমনকী হয়ত গর্ভাবস্থার একেবারে শেষ পর্যায়ে পৌঁছেও অনেকের শুধু কোমরের পাশে একটু মেদ জমে। আবার পিরিয়ডস বন্ধ হতে চলেছে, এমন সময় বা যেসব মহিলারা খুব বেশি কাজ করেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও লক্ষ্মণ বুঝে ওঠা সম্ভব হয় না।

গবেষণা বলছে, আচমকা সন্তান প্রসব বা গর্ভধারণের লক্ষ্মণ বুঝতে না পারার সঙ্গে মানসিক সমস্যা অনেকটাই জড়িত। ক্রাইপটিক প্রেগনেন্সির কারণ হতে পারে স্কিৎজ়োফ্রেনিয়ার মত মানসিক রোগ বা আচরণগত নানা সমস্যাও।

সবশেষে, চিকিৎসকদের মতে, বহুদিন ধরে হজমের সমস্যা, পিরিয়ডসের গণ্ডগোল, দীর্ঘদিন ধরে একটু একটু করে মোটা হওয়াও হতে পারে ক্রাইপটিক প্রেগনেন্সির লক্ষ্মণ।

CLOSE COMMENT

ADD COMMENT

To read stories offline: Download Eenaduindia app.

SECTIONS:

  হোম

  রাজ্য

  দেশ

  বিদেশ

  ক্রাইম

  খেলা

  বিনোদন-E

  ইন্দ্রধনু

  অনন্যা

  গ্যালারি

  ভ্রমণ

  ଓଡିଆ ନ୍ୟୁଜ

  পুজোর খবর

  MAJOR CITIES